চুল বাঁধা থাকলে গরমে পাবেন আরাম। মডেল: শাহতাজ। ছবি: অধুনা

গরমে ত্বকের সঙ্গে সঙ্গে চুলেও তেলচিটচিটে ভাব চলে আসে। ঘেমে যায় চুলের গোড়া, ঝরঝরে দেখায় না। যাঁদের চুল তৈলাক্ত, তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়। ঘাম ও ধুলার কারণে চুলে দ্রুত ময়লা আটকে যায়, তা থেকে খুশকির সমস্যাও হয় কারও কারও। আর রোদ–বৃষ্টির প্রকোপ তো আছেই। গরমে চুল সুস্থ ও সুন্দর রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে চুল পরিষ্কার রাখা।

কোনোভাবেই চুল ময়লা রাখা যাবে না। তাহলে চুল পড়া, খুশকিসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু করা নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে। ভাবেন, এতে চুল রুক্ষ হয়ে যাবে। এটি ঠিক নয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলে ময়লা জমতে পারবে না। ফলে চুল নিয়ে বেশির ভাগ সমস্যাই কমে যাবে। কিন্তু শ্যাম্পু করতে হবে সঠিক নিয়মে। একই জায়গায় শ্যাম্পু দিলে সেখানকার চুল পড়তে পারে। তাই প্রথমে শ্যাম্পু ছোট কোনো বাটিতে ঢেলে নিন। সঙ্গে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে নিন। এরপর তেল দেওয়ার মতো করে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগাতে হবে। ব্যস্ততা থাকলে পানিমিশ্রিত শ্যাম্পু পেছনের চুল থেকে সামনের চুলে লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এরপর ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। খুব সামান্য পরিমাণ শ্যাম্পুও যেন চুলে না থাকে। অনেকে প্রতিদিন শ্যাম্পু করেন, কিন্তু চুল ভালোমতো না শুকানোর কারণে তেলতেলে হয়ে যায়। এ কারণে চুল পরিষ্কার করার পর তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলতে হবে। কেউ কেউ গামছা দিয়ে চুল ঝাড়েন, এটিও ঠিক নয়। এতে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। পরে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। বাড়িতে টেবিল ফ্যান থাকলে তাতেও চুল শুকিয়ে নিতে পারেন। এমনটা মনে করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাসুদা খাতুন।

গরমে ত্বকের সঙ্গে সঙ্গে চুলেও তেলচিটচিটে ভাব চলে আসে। ঘেমে যায় চুলের গোড়া, ঝরঝরে দেখায় না। যাঁদের চুল তৈলাক্ত, তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়। ঘাম ও ধুলার কারণে চুলে দ্রুত ময়লা আটকে যায়, তা থেকে খুশকির সমস্যাও হয় কারও কারও। আর রোদ–বৃষ্টির প্রকোপ তো আছেই। গরমে চুল সুস্থ ও সুন্দর রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে চুল পরিষ্কার রাখা।

কোনোভাবেই চুল ময়লা রাখা যাবে না। তাহলে চুল পড়া, খুশকিসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু করা নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে। ভাবেন, এতে চুল রুক্ষ হয়ে যাবে। এটি ঠিক নয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলে ময়লা জমতে পারবে না। ফলে চুল নিয়ে বেশির ভাগ সমস্যাই কমে যাবে। কিন্তু শ্যাম্পু করতে হবে সঠিক নিয়মে।  - (চুলের ধরন অনুযায়ী ব্যবহার করুন শ্যাম্পু) একই জায়গায় শ্যাম্পু দিলে সেখানকার চুল পড়তে পারে। তাই প্রথমে শ্যাম্পু ছোট কোনো বাটিতে ঢেলে নিন। সঙ্গে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে নিন। এরপর তেল দেওয়ার মতো করে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগাতে হবে। ব্যস্ততা থাকলে পানিমিশ্রিত শ্যাম্পু পেছনের চুল থেকে সামনের চুলে লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এরপর ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। খুব সামান্য পরিমাণ শ্যাম্পুও যেন চুলে না থাকে। অনেকে প্রতিদিন শ্যাম্পু করেন, কিন্তু চুল ভালোমতো না শুকানোর কারণে তেলতেলে হয়ে যায়। এ কারণে চুল পরিষ্কার করার পর তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলতে হবে। কেউ কেউ গামছা দিয়ে চুল ঝাড়েন, এটিও ঠিক নয়। এতে চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। পরে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। বাড়িতে টেবিল ফ্যান থাকলে তাতেও চুল শুকিয়ে নিতে পারেন। এমনটা মনে করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাসুদা খাতুন।

গরমে চুল ঘেমে গেলে চুলের গোড়ায় চুলকানো ও চুল টানার কারণে গোড়া নরম হয়ে চুল পড়তে থাকে। তাই এ অভ্যাস এড়িয়ে চলতে হবে। এর পাশাপাশি ঘামের সমস্যা কমাতে উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, গরম আবহাওয়া যথাসম্ভব পরিহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। গরমের সময় চা, কফি, বেশি ঝাল খাবারও পরিহার করতে হবে।

ভেজা চুলে বের না হয়ে চুল শুকিয়ে বের হবেন। গরম থেকে রেহাই পেতে ক্লিপ বা ব্যান্ড দিয়ে চুলটাকে আটকে দিতে পারেন। তা না হলে 
গরমে চুলের গোড়া বেশি ঘামবে। অফিসে বা গন্তব্যে পৌঁছে আবার চুল খুলে দিন। ব্যাগে অবশ্যই চিরুনি রাখবেন। দিনে দুই থেকে তিনবার চুল আঁচড়াবেন। এ ছাড়া অবসর 
পেলেই চুলের মধ্যে হাত দিয়ে বিলি কাটবেন। এতে বাতাস ঢুকবে; ঘাম শুকিয়ে যাবে।

চুলের কয়েকটি প্যাক

গরমে চুল ভালো রাখতে বাড়িতে বসে নিচের প্যাকগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঝলমলে ও মসৃণ হবে আপনার চুল। চুল বুঝে প্যাক ব্যবহার করতে হবে। দুটি ঘরোয়া প্যাকের কথা বলেছেন রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন।

  • রুক্ষ চুলের জন্য: টক দই, মধু ও পাকা কলা পেস্ট করে সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করতে পারেন।
  • তৈলাক্ত চুলের জন্য: কলা ছাড়া যেকোনো মৌসুমি ফলের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। আবার শুধু ফলের প্যাকও ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া নিয়মিত হেনাপ্যাক ব্যবহার করলে চুল ঝলমলে হয়।


আসল কথা হলো, চুল পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রয়োজনে যেকোনো বিউটি স্যালনে গিয়ে হেয়ার স্পা, হেয়ার প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করাতে পারেন।

সূত্র : প্রথম আলো

Post a Comment

Previous Post Next Post